বৈদিক যুগ থেকে শুরু করে ইংরেজি কোম্পানির শাসন পর্যন্ত হিন্দু সমাজের নারী সতীদাহ প্রথা নামে এক নৈতিক ও বর্বর প্রথা শিকার ছিল। সতীদাহ বলতে বোঝায়, স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে চিতায় জ্যান্ত তার স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারা ।
১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে রাজা রামমোহন রায় বিভিন্ন শাস্ত্র পাঠ করে দেখবার চেষ্টা করলেন যে শাস্ত্রে কোথাও সতীদাহ নির্দেশ নেই । সম্বাদ কৌমুদী পত্রিকা এর বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরলেন ।রাজা রামমোহন রায় যুক্তিকে সমর্থন করতে গিয়ে আসেন দ্বারকানাথ ঠাকুর সহ পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষজন।
রামমোহন ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক নামে একটি পুস্তক প্রকাশ করেন। ওই বছরই তিনি বাংলার ৩০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষর সংবলিত একটি আবেদনপত্র তৎকালীন বড়লাট লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে বেশ করেন। বেন্থামের মন্ত্রশিষ্য বেন্টিঙ্ক হিন্দু সমাজের রক্ষণশীলদের বিরোধিতা অপেক্ষা করেন। অবশ্য, রাজা রামমোহন রায় আইন প্রণয়ন করে এই প্রথা বন্ধ করার বিরোধী ছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন লোক শিক্ষার মাধ্যমে এই প্রথা বন্ধ করা হোক।
2 Comments
Zkxhjgzgj
ReplyDeleteNice
ReplyDeleteThanks you ☺️