উপনিবেশিক শতকে ভারতবর্ষে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক বিস্ময়কর ব্যক্তি ছিলেন যুগাবতার শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। তার প্রথাগত শিক্ষা ছিল না বটে কিন্তু তিনি ছিলেন শিক্ষিতের শিক্ষক। বাস্তববাদ এবং প্রত্যক্ষ অনুভূতি দিয়ে ধর্মকে তিনি সাধারণ মানুষের ধর্ম পরিণত করেছিলেন। তার প্রধান কৃতিত্ব ছিল সর্বধর্ম সমন্বয।
নিজের জীবন ও সাধনার মধ্য দিয়ে তিনি সর্বধর্ম উপরে উঠে সব ধর্মকে আপন করে নিতে পেরেছিলেন। তিনি মনে করতেন সত্যোপলব্ধির জন্য কৃচ্ছ্রসাধনের প্রয়োজন নেই। আত্মোপলব্ধির মাধ্যমে সত্যের প্রতিষ্ঠা সম্ভব। নিষ্কাম কর্ম বলতে ঈশ্বর সাধনার নামে সংসার ত্যাগকে বোঝাননি। সংসারের আসক্তি ত্যাগকে বুঝিয়েছেন । তার শ্রেষ্ঠ মন্ত্র ছিল যত মত তত পথ। সেখানে তিনি বলেছেন ঈশ্বর কে যে নামেই ডাকা হোক না কেন তিনি এক ও অদ্বিতীয়। এই ছোট্ট কথাটাই ছিল সকল ধর্মের কথা। বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সমন্বয় সাধনের এর চেয়ে মহান আদর্শ আর কিছুই হতে পারে না। তার উপদেশ শুনে একজন মুসলমান ,একজন খ্রিষ্টান একজন হিন্দু সৎ মানুষ হওয়ার প্রেরণা পেত। |
অনেক বিদ্বজ্জন যে কাজ করতে পারেননি ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ তা করতে সফল হয়েছিলেন। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দারিদ্র নিরক্ষর মানুষের আশ্রয় ছিলেন মহান ওই মানুষটি।
1 Comments
nice hare krishna
ReplyDeleteThanks you ☺️