মানব বিকাশে বিভিন্ন দশা । সান্তান ভৃমিষ্ঠ হওয়ার পর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মানব বিকাশের পাচঁটি দশায় ভাগ করা যেতে পারে ।এই দশা গুলি হল-

সান্তান ভৃমিষ্ঠ হওয়ার পর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মানব বিকাশের পাচঁটি দশায় ভাগ করা যেতে পারে ।এই দশা গুলি হল-

Copyright by thejosenews.in


১. সদ্যোজাত 

২. শৈশব 

৩.ব্যঃসন্ধি 

৪.পরিণত 

৫. বার্ধক্য

 

১. সদ্যোজাত - ভ্রণ মাতৃগভে ৯ মাস ১০ দিন  প্রা্তিপালিত হওয়ার পর ভূমিষ্ঠ হয় । একে সদ্যাজাত দশা বলে । এই সময় শিশুর ওজন ২.৫KG থেকে ৩ KG হয় সদ্যাজাত দশা হল ০ থেকে ৩ বছর পর্যন্তু সময়কাল।এই  সময় এরা  প্রধানত স্তন্দুগ্ধ পান করে বড় হয়।  অনেক সময় বাড়তি খাদ্য বা তলা খাদ্যসরবরাহ করা হয়। ৬মাস পরে থেকে শিশুকে  দুধের সঙ্গে গলা ভাত , আলু সেদ্ধ , দিমের কুসুম ইত্যদি সহজপাঁচ্য খাদ্য দেওয়া হয় ।এই সময় বৃদ্ধির জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয় । 


 ২. শৈশব -৩থেকে ১১ বছর    পর্যন্ত  বয়সকালকে  শৈশব বলে । জম্মের প্রথম তিন বছর শিশুর উচতায় দ্রুত হারে বাড়ে । শৈশব মাথা আকৃতিতে অনেক বড় দেখালে পরিণত বয়সে মাথার আকার সমতুল না সাভাবিক হয়ে যায়। এই সময় শিশুরা ছোটাছুটি বেশি করে । এরা  পর্ণবয়স্ক  মানুষে দের অনুকরণ করতে ভালোভাসে । এই সময় এদের প্রচুর  পরিমাণে শক্তি সরবর্রকারি খাদ্য দেয়া দরকার।


৩.বয়ঃসন্ধি  ১২থেকে২০ এই বয়স দশাকে বলে বয়ঃসন্ধিকাল ।এই  সময়কালকে মানুষের মুখ্য বৃদ্ধিকাল বলে । এই সময় বিভিন্ন হরমোনের প্রভাবে বালক- বালিকাদের দেহে বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা যায় । যৌনলক্ষগুলি স্পষ্ট হয় । দেহের বিকাশ ভালোভাবে পেশিবহুল গঠন হয়। পিটুইটারই গ্রত্থি নিঃসৃত হরমমোনের সক্রিয়তায় দেহের সর্বাঙ্গীণ ও সামণঞ্জস্যপূর্ণ বৃদ্ধি ঘটে। এই দশায় যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ( পুরুষদেহে) এবং ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন ( নারিদেহে)- এর ক্রিয়ার ফলে যুৌনাঙ্গের বৃদ্ধি ঘটতে থাকে । হরমোনের প্রভাবে পুরুষ ও  নারি দেহে যৌন লক্ষণ গুলি প্র্রকাশ পায় । তখন কিশোর ও কিশোরীরা দ্রুত প্রাপ্তবয়স্কের  দিকে এগতে থাকে এবং প্রজননক্ষমতা হয়।


 ৪.পরিণত  ২০থেকে৬০বছর বয়স সময় প্র্রর্যন্তু সময়কালকে পরিণত দশা বলে । এই দশাই মানবদেহে যৌন অঙ্গ অর্থাৎ  শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয়ের পর্ণ বিকাশ ঘটার সঙ্গে তাদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় । এরা স্বাধীনভাবে বাচঁতে চায় এবং স্বনির্ভর হতে চায় । 



 ৫. বার্ধক্য ৬০ বছরের সময় থেকে মানবদেহে প্রজনন ক্ষমতা  হ্রাস পেয়ে বার্ধক্য দশা  শুরু হয় । এই সময় বহু কোশের মৃত্যু  ঘটায় দেহের  বার্ধকের ছাপ   পড়ে ।অনেক হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এই সময় সহজপাচ্য আহার  , নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মর্নিং ওয়াক  করা দরকার । ঘরের শিশু দের দিকে নজর দেওয়া, প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলা সম্পর্ক স্থাপণ করা দরকার। এই দশা পুরুশষদের তুলনায় স্ত্রীদের আগে আছে ।



Post a Comment

1 Comments

Thanks you ☺️